রাজশাহীতে সাংবাদিক ও মোঃ রেজাউল করিমের ওপর সশস্ত্র হামলা ও চাঁদা দাবির প্রতিবাদে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন সাংবাদিকরা।
রোববার (৮ মার্চ) বেলা ১২টায় মহানগরীর সাহেববাজার জিরো পয়েন্টে অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচি থেকে হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, মোঃ রেজাউল করিম রাজশাহী বরেন্দ্র প্রেসক্লাবের সভাপতি। তাকে হত্যার উদ্দেশ্যেই পরিকল্পিতভাবে মাইক্রোবাস ভাড়া করে হামলা চালানো হয়েছে। এ ঘটনাকে ন্যাক্কারজনক উল্লেখ করে তারা তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।
রাজশাহী বরেন্দ্র প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি মোঃ রহমত উল্লাহ’র সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বক্তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, অপরাধীর কোনো রাজনৈতিক বা সামাজিক পরিচয় থাকতে পারে না। দ্রুত হামলাকারীদের আইনের আওতায় আনা না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলেও জানান তারা। একই সঙ্গে পুলিশের প্রতি দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান বক্তারা।
জানা যায়, রাজশাহীর শিরোইল কাঁচাবাজার এলাকায় অবস্থিত বরেন্দ্র প্রেসক্লাবের সভাপতির রেজাউল করিমের কাছে কথিত সাংবাদিক নেতা নুরে ইসলাম মিলন ও তার সহযোগীরা চার লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিল। অভিযোগ রয়েছে, মিলনের প্রধান সহযোগী হিসেবে সুরুজ আলী, মিশালসহ কয়েকজন এ দাবির সঙ্গে জড়িত ছিলেন।
এ ঘটনার জেরে শনিবার (৭ মার্চ) রাত ৮টার দিকে দেশীয় অস্ত্র, চাপাতি ও চাইনিজ কুড়াল নিয়ে একদল সন্ত্রাসী প্রেসক্লাবে ঢুকে তাণ্ডব চালায়। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে প্রধান অভিযুক্ত নুরে ইসলাম মিলন পিস্তল বের করে সভাপতির মাথায় ঠেকিয়ে ভয়ভীতি দেখায় বলে অভিযোগ।
একপর্যায়ে সুরুজ আলী ও মিশাল ধারালো অস্ত্র দিয়ে মোঃ রেজাউল করিমের পেটে আঘাত করার চেষ্টা করলে তিনি হাত দিয়ে প্রতিহত করেন। এতে তার উরুতে গুরুতর জখম হয়। পরে তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসকরা তার ক্ষতস্থানে ১৩টি সেলাই দেন।
ঘটনার পর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শামসুল ইসলাম বাদী হয়ে বোয়ালিয়া মডেল থানায় নুরে ইসলাম মিলন, সুরুজ আলী, মিশাল, ইব্রাহিম ও রেন্টুসহ অজ্ঞাত আরও ১০ থেকে ১৫ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।
জানতে চাইলে বোয়ালিয়া মডেল থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) মোঃ সিরাজুল ইসলাম জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে হামলাকারীদের ফেলে যাওয়া একটি মাইক্রোবাস (রেজিস্ট্রেশন নম্বর: কুমিল্লা-চ-৫১-০০২৮) জব্দ করেছে। এ ঘটনায় মামলা রেকর্ড করা হয়েছে এবং জড়িতদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
এদিকে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের মুখপাত্র উপ-পুলিশ কমিশনার মোঃ গাজিউর রহমান বলেন, সাংবাদিককে ছুরিকাঘাতের বিষয়টি দুঃখজনক। জড়িতদের গ্রেফতারে বোয়ালিয়া থানার ওসিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।
মানববন্ধনে সংহতি জানিয়ে বক্তব্য দেন রাজশাহী বরেন্দ্র প্রেসক্লাবের উপদেষ্টা ও দেশ টিভির প্রতিনিধি কাজী শাহেদ, সাবেক সভাপতি আবু কাওসার মাখন, সাধারণ সম্পাদক শামসুল ইসলাম, দৈনিক কালবেলার রাজশাহী ব্যুরো প্রধান আমজাদ হোসেন শিমুল, রিভারসিটি প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোঃ মাসুদ রানা রাব্বানীসহ বিভিন্ন সাংবাদিক ও সংগঠনের নেতারা।
এ সময় রাজশাহী রিপোর্টার্স ইউনিটি, বৃহত্তর রাজশাহী বিভাগীয় প্রেসক্লাবসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও সাংবাদিকরা উপস্থিত থেকে হামলার তীব্র প্রতিবাদ জানান এবং দ্রুত দোষীদের গ্রেফতারের দাবি করেন।
রোববার (৮ মার্চ) বেলা ১২টায় মহানগরীর সাহেববাজার জিরো পয়েন্টে অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচি থেকে হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, মোঃ রেজাউল করিম রাজশাহী বরেন্দ্র প্রেসক্লাবের সভাপতি। তাকে হত্যার উদ্দেশ্যেই পরিকল্পিতভাবে মাইক্রোবাস ভাড়া করে হামলা চালানো হয়েছে। এ ঘটনাকে ন্যাক্কারজনক উল্লেখ করে তারা তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।
রাজশাহী বরেন্দ্র প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি মোঃ রহমত উল্লাহ’র সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বক্তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, অপরাধীর কোনো রাজনৈতিক বা সামাজিক পরিচয় থাকতে পারে না। দ্রুত হামলাকারীদের আইনের আওতায় আনা না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলেও জানান তারা। একই সঙ্গে পুলিশের প্রতি দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান বক্তারা।
জানা যায়, রাজশাহীর শিরোইল কাঁচাবাজার এলাকায় অবস্থিত বরেন্দ্র প্রেসক্লাবের সভাপতির রেজাউল করিমের কাছে কথিত সাংবাদিক নেতা নুরে ইসলাম মিলন ও তার সহযোগীরা চার লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিল। অভিযোগ রয়েছে, মিলনের প্রধান সহযোগী হিসেবে সুরুজ আলী, মিশালসহ কয়েকজন এ দাবির সঙ্গে জড়িত ছিলেন।
এ ঘটনার জেরে শনিবার (৭ মার্চ) রাত ৮টার দিকে দেশীয় অস্ত্র, চাপাতি ও চাইনিজ কুড়াল নিয়ে একদল সন্ত্রাসী প্রেসক্লাবে ঢুকে তাণ্ডব চালায়। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে প্রধান অভিযুক্ত নুরে ইসলাম মিলন পিস্তল বের করে সভাপতির মাথায় ঠেকিয়ে ভয়ভীতি দেখায় বলে অভিযোগ।
একপর্যায়ে সুরুজ আলী ও মিশাল ধারালো অস্ত্র দিয়ে মোঃ রেজাউল করিমের পেটে আঘাত করার চেষ্টা করলে তিনি হাত দিয়ে প্রতিহত করেন। এতে তার উরুতে গুরুতর জখম হয়। পরে তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসকরা তার ক্ষতস্থানে ১৩টি সেলাই দেন।
ঘটনার পর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শামসুল ইসলাম বাদী হয়ে বোয়ালিয়া মডেল থানায় নুরে ইসলাম মিলন, সুরুজ আলী, মিশাল, ইব্রাহিম ও রেন্টুসহ অজ্ঞাত আরও ১০ থেকে ১৫ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।
জানতে চাইলে বোয়ালিয়া মডেল থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) মোঃ সিরাজুল ইসলাম জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে হামলাকারীদের ফেলে যাওয়া একটি মাইক্রোবাস (রেজিস্ট্রেশন নম্বর: কুমিল্লা-চ-৫১-০০২৮) জব্দ করেছে। এ ঘটনায় মামলা রেকর্ড করা হয়েছে এবং জড়িতদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
এদিকে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের মুখপাত্র উপ-পুলিশ কমিশনার মোঃ গাজিউর রহমান বলেন, সাংবাদিককে ছুরিকাঘাতের বিষয়টি দুঃখজনক। জড়িতদের গ্রেফতারে বোয়ালিয়া থানার ওসিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।
মানববন্ধনে সংহতি জানিয়ে বক্তব্য দেন রাজশাহী বরেন্দ্র প্রেসক্লাবের উপদেষ্টা ও দেশ টিভির প্রতিনিধি কাজী শাহেদ, সাবেক সভাপতি আবু কাওসার মাখন, সাধারণ সম্পাদক শামসুল ইসলাম, দৈনিক কালবেলার রাজশাহী ব্যুরো প্রধান আমজাদ হোসেন শিমুল, রিভারসিটি প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোঃ মাসুদ রানা রাব্বানীসহ বিভিন্ন সাংবাদিক ও সংগঠনের নেতারা।
এ সময় রাজশাহী রিপোর্টার্স ইউনিটি, বৃহত্তর রাজশাহী বিভাগীয় প্রেসক্লাবসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও সাংবাদিকরা উপস্থিত থেকে হামলার তীব্র প্রতিবাদ জানান এবং দ্রুত দোষীদের গ্রেফতারের দাবি করেন।
নিজস্ব প্রতিবেদক